বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  বোমা তৈরিতে বিপত্তি, উড়ল ঘরের টিন ! অবশেষে আটক অণ্ডকোষ হারা মিজান চিকিৎসাধীন। সিরাজদিখানে ‘বোরহান-আনোয়ারা প্রবীণ নিবাস’ পরিদর্শনে ইউএনও রুম্পা ঘোষ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আরসা সদস্য গ্রে প্তা র ছয় দফা দাবি আদায়ে লং মার্চ কক্সবাজার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামের পথে সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী লীনা পারভীনের উঠান বৈঠক উন্নয়ন ও জনসেবার প্রতিশ্রুতি সত্যের পক্ষে কলমঃ- সাংবাদিকের বন্ধু সত্য, শত্রুর তালিকা দীর্ঘ

পদ্মা রেল ভূমি কেলেঙ্কারি: দুদকের জালে সাবেক দুই ডিসি। এবার কি বেরিয়ে আসবে পুরো সিন্ডিকেট ?

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

পদ্মা রেল ভূমি কেলেঙ্কারি: দুদকের জালে সাবেক দুই ডিসি। এবার কি বেরিয়ে আসবে পুরো সিন্ডিকেট ?

উজ্জ্বল মন্ডল, মাদারীপুর

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক দুই জেলা প্রশাসকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই অভিযোগে দুদকের পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কেবল কর্মকর্তারাই অপরাধে জড়িত নাকি এর পেছনে ছিল একটি শক্তিশালী দালালচক্রও ?

মঙ্গলবার (২৮ জলাই) দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ অভিযুক্তদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামানকে দলনেতা এবং সহকারী পরিচালক মোঃ সাইদুর রহমান অপুকে সদস্য করে একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ১৯ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে, তারা হলেন—সাবেক জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম, ডঃ রহিমা খাতুন, সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ ফারুক আহম্মদ, জোটন চন্দ্র, সাবেক ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোঃ সাইফুদ্দিন গিয়াস, মোহাম্মদ সুমন শিবলী, প্রমথ রঞ্জন ঘটক, আল মামুন, মোঃ নাজমুল হক সুমন, কানুনগো (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ আবুল হোসেন, রেজাউল হক এবং কালেক্টরেট রেকর্ড রুমের রেকর্ড কিপার মানিক চন্দ্র মন্ডল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে ঘিরে সে সময় একটি প্রভাবশালী দালালচক্র সক্রিয় ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ওই চক্রের সদস্যরা অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ বণ্টনে প্রভাব বিস্তার করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তাধীন।

এ অবস্থায় স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অনুসন্ধান শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অভিযোগে উঠে আসা দালালচক্র ও সম্ভাব্য সুবিধাভোগীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে রাষ্ট্রের অর্থ লুটের সঙ্গে জড়িত পুরো নেটওয়ার্ক উন্মোচিত হবে এমনটাই চান সচেতন মহল।

দুদকের মাদারীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews