বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  বোমা তৈরিতে বিপত্তি, উড়ল ঘরের টিন ! অবশেষে আটক অণ্ডকোষ হারা মিজান চিকিৎসাধীন। সিরাজদিখানে ‘বোরহান-আনোয়ারা প্রবীণ নিবাস’ পরিদর্শনে ইউএনও রুম্পা ঘোষ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আরসা সদস্য গ্রে প্তা র ছয় দফা দাবি আদায়ে লং মার্চ কক্সবাজার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামের পথে সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী লীনা পারভীনের উঠান বৈঠক উন্নয়ন ও জনসেবার প্রতিশ্রুতি সত্যের পক্ষে কলমঃ- সাংবাদিকের বন্ধু সত্য, শত্রুর তালিকা দীর্ঘ

ভাঙ্গুড়ায় রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ, তদন্তে বন বিভাগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

ভাঙ্গুড়ায় রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ, তদন্তে বন বিভাগ

মোঃ সুজন আহম্মেদ
ক্রাইম রিপোর্টার :

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার কাশিপুর মোড় পার হয়ে পাটুলিপাড়া অভিমুখে যাওয়ার পথে সড়কের বাম পাশে থাকা গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসিন নামে এক ব্যক্তি গাছগুলো বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, গাছগুলো মন্ডুতোষ এলাকার ইউসুফ ব্যাপারী কিনেছেন বলেও স্থানীয়দের দাবি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার পাশের গাছ জনসম্পদ হওয়ায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সেগুলো কাটা ও বিক্রি করা আইনবিরোধী। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মহাসিন বলেন, “এটি আমার বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পত্তি। আমাদের নিজস্ব জমির ওপর দিয়েই এই সংযোগ সড়কটি হয়েছে। গাছগুলোও আমাদের জমির এবং আমাদেরই মালিকানাধীন। এগুলো কোনো সরকারি সম্পত্তি নয়।”

অন্যদিকে, গাছ ক্রয়ের বিষয়ে ইউসুফ ব্যাপারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বন বিভাগের কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা গোলাম মর্তুজা বলেন, “বিষয়টি আমরা দেখছি। যদি তারা গাছ কেটে থাকে, তাহলে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে। আমি লোকজনকে ঘটনাস্থলে পাঠাচ্ছি। পরিদর্শনের পর বোঝা যাবে গাছগুলো বন বিভাগের নাকি সড়ক বিভাগের অধীন, অথবা ব্যক্তিমালিকানাধীন।”

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews