
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঢাকা জেলা প্রতিনিধি।
শ্যামলী আক্তার এর প্রেমের টানে সনাতন ধর্মালম্বী ত্যাগ করে রিপন সরকার এ মুসলিম নারীকে বিয়ে করেন, সংসার জীবনে কথা কাটাকাটি করে বিয়ের কয়েক মাস পর বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে বলে জানা যায়। এমনি এ ঘটনা ঘটেছে গাজীপুর, কালিয়াকৈর উপজেলা ৮ নং আটাবহ ইউনিয়ন চন্ডিতলা (কান্দাপাড়া) গ্রামে।
এতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে মোহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম—সাধারণ সম্পাদক, সেই সাথে সিদ্দিক হোসেন মিন্টু—সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মোঃ আলমগীর হোসেন—সহ সভাপতি। ঢাকা,গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলা সমম্নয় কমিটি উপস্থিত ছিলেন।
শ্যামলী আক্তার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সুস্পষ্ট ভাবে তদারকি করে আইনের আওতায় আনা আহবান জানান। উক্ত তদারকিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন মোঃ শাজাহান মিয়া (সালাম) সদস্য ৮ নং আটাবহ ইউনিয়ন পরিষদ ও মোঃ নাজমুল আলম, উপজেলা প্রতিনিধি এশিয়া বার্তা।
আরও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।বিভিন্ন ভাবে জানা যায়, মেয়েটির আগে স্বামী এবং দুটি সন্তান ও আছে। স্বামী সন্তান রেখে,রিপন সরকার (২৮) পিতা মহাদেব সরকার, মাতা সরস্বতী রানী সরকার
প্রেমের টানে সনাতন ধর্মালম্বী ত্যাগ করে মুসলিম নারীকে বিয়ে করে। সংসার জীবনে প্রায়ই তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে একটি সংসার জীবন ফাটল তৈরি হলে রিপন সরকার শ্যামলী আক্তার কে এক পর্যায়ে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। ঘটনার কিছুদিন পর রিপন সরকার আবার সেই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ভাবে প্রোলোফন দেখিয়ে তাকে আবারও কোর্টের মাধ্যমে ও কাজির মাধ্যমে বিয়ে করেন।
পরবর্তীতে মেয়েটি গর্ভবতী হলে তাকে বাড়ী থেকে বের করে দেয় এবং রিপন সরকার বাড়ী থেকে চলে যায়। মেয়েটি রিপনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মেয়েটিকে সাফ জানিয়ে দেয় তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই আমি তোমাকে আবারও ডিভোর্স দিয়ে দিছি।
নারী শ্যামলী আক্তার জানান,আমি কোন প্রকার ডিভোর্সের কাগজ বা পেপার হাতে পাইনি, আমি আমার সন্তানের নায্য অধিকার চাই।
এ বিষয়ে আটাবহ ইউনিয়নের মেম্বার জনাব,মোঃ শাজাহান মিয়া (সালাম) সাহেব জানান,এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা আছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা এলাকাবাসি মিলেই মিমাংসা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি দ্রুত এর একটা সমাধান আসবে আশাকরছি।
শ্যামলী আক্তার আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর কাছে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন, সেই সাথে সহ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সহ সকলেই শ্যামলী আক্তারকে সহযোগীতা করার আশ্বাস দিন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা পক্ষ থেকে কালিয়াকৈর থানার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সু বিচারে আওতায় আনার আহবান জানান।