
মোহাম্মদ উজ্জল খান, স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী নিয়মিত তৎপরতার অংশ হিসেবে এক সফল অভিযানে তিন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি, উত্তর)। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে সাভারের আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট এলাকা থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০০ পুড়িয়া হেরোইন, ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৪ হাজার টাকা।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক পুলিশ সুপার (এসপি) জনাব শামীমা পারভিনের কঠোর নির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও অপরাধবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া এলাকায় অভিযানে নামে।
ডিবি (উত্তর) এর উপ-পরিদর্শক (এসআই/নিঃ) মোঃ আঃ মুত্তালিব ও তার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত দলটির কৌশলী অবস্থানের প্রেক্ষিতে, ১১ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকেল ১৬:৩০ ঘটিকায় আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে ৩ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাদের দেহ ও হেফাজত তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া তিন মাদক ব্যবসায়ী হলো— ১. মোঃ জিম (২০): পিতা-মৃত জালাল হোসেন, মাতা-সুমি আক্তার। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-ছয়বাড়িয়া, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা। বর্তমান ঠিকানা: মধ্য গাজিরচট (খান সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা। ২. সাকিব হোসেন (২২): পিতা-মৃত শামছুল হক, মাতা-মাবিয়া বেগম। স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা: মধ্য গাজিরচট, থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা। ৩. মেহেদী হাসান (২৬): পিতা-মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মাতা-মেহেরুন আক্তার। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-নয়নপুর (কোনাঘাটা), থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বর্তমান ঠিকানা: মধ্য গাজিরচট (আফরিন ভিলা, পাখি আক্তারের বাসার ৩য় তলা), থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা।
অভিযান পরিচালনাকারী দল আসামিদের কাছ থেকে মোট তিন ধরনের মাদক জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে—
হেরোইন: ১০০ (একশত) পুড়িয়া, যার মোট ওজন ১০ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা।
ইয়াবা: ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার মোট ওজন ০৩ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ৯,০০০/- (নয় হাজার) টাকা।
গাঁজা: ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম শুকনো গাঁজা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫,০০০/- (পনের হাজার) টাকা।
পুলিশি তদন্ত ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া ও এর আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট তৈরি করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া এই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে আগেরও একাধিক অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১ নং আসামি মোঃ জিমের বিরুদ্ধে এর আগেও ০৩ টি মাদক মামলা রয়েছে এবং ২ নং আসামি সাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে ১ টি ছিনতাই মামলা রয়েছে। তারা এলাকায় চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত।
ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) জানিয়েছে, ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১২ জুলাই) আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা পুলিশের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী নিয়মিত তৎপরতার অংশ হিসেবে এক সফল অভিযানে তিন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি, উত্তর)। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে সাভারের আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট এলাকা থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০০ পুড়িয়া হেরোইন, ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৪ হাজার টাকা।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক পুলিশ সুপার (এসপি) জনাব শামীমা পারভিনের কঠোর নির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও অপরাধবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া এলাকায় অভিযানে নামে।
ডিবি (উত্তর) এর উপ-পরিদর্শক (এসআই/নিঃ) মোঃ আঃ মুত্তালিব ও তার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত দলটির কৌশলী অবস্থানের প্রেক্ষিতে, ১১ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকেল ১৬:৩০ ঘটিকায় আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে ৩ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাদের দেহ ও হেফাজত তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া তিন মাদক ব্যবসায়ী হলো— ১. মোঃ জিম (২০): পিতা-মৃত জালাল হোসেন, মাতা-সুমি আক্তার। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-ছয়বাড়িয়া, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা। বর্তমান ঠিকানা: মধ্য গাজিরচট (খান সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা। ২. সাকিব হোসেন (২২): পিতা-মৃত শামছুল হক, মাতা-মাবিয়া বেগম। স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা: মধ্য গাজিরচট, থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা। ৩. মেহেদী হাসান (২৬): পিতা-মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মাতা-মেহেরুন আক্তার। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-নয়নপুর (কোনাঘাটা), থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বর্তমান ঠিকানা: মধ্য গাজিরচট (আফরিন ভিলা, পাখি আক্তারের বাসার ৩য় তলা), থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা।
অভিযান পরিচালনাকারী দল আসামিদের কাছ থেকে মোট তিন ধরনের মাদক জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে—
হেরোইন: ১০০ (একশত) পুড়িয়া, যার মোট ওজন ১০ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা।
ইয়াবা: ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার মোট ওজন ০৩ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ৯,০০০/- (নয় হাজার) টাকা।
গাঁজা: ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম শুকনো গাঁজা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫,০০০/- (পনের হাজার) টাকা।
পুলিশি তদন্ত ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া ও এর আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট তৈরি করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া এই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে আগেরও একাধিক অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১ নং আসামি মোঃ জিমের বিরুদ্ধে এর আগেও ০৩ টি মাদক মামলা রয়েছে এবং ২ নং আসামি সাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে ১ টি ছিনতাই মামলা রয়েছে। তারা এলাকায় চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত।
ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) জানিয়েছে, ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১২ জুলাই) আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা পুলিশের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।