বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  বোমা তৈরিতে বিপত্তি, উড়ল ঘরের টিন ! অবশেষে আটক অণ্ডকোষ হারা মিজান চিকিৎসাধীন। সিরাজদিখানে ‘বোরহান-আনোয়ারা প্রবীণ নিবাস’ পরিদর্শনে ইউএনও রুম্পা ঘোষ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আরসা সদস্য গ্রে প্তা র ছয় দফা দাবি আদায়ে লং মার্চ কক্সবাজার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামের পথে সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী লীনা পারভীনের উঠান বৈঠক উন্নয়ন ও জনসেবার প্রতিশ্রুতি সত্যের পক্ষে কলমঃ- সাংবাদিকের বন্ধু সত্য, শত্রুর তালিকা দীর্ঘ

কিশোরগঞ্জে ২১ মাসের বকেয়া বেতন না দিয়েই ১২ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুতি,

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জে ২১ মাসের বকেয়া বেতন না দিয়েই ১২ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুতি,

তপন চন্দ্র সরকার, জেলা প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ,

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে
দীর্ঘ ২১ মাসের বেতন বকেয়া রেখেই একসাথে ১২ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ চাকরি হারিয়ে চরম আর্থিক সংকট ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন শিক্ষকরা। বিষয়টি তদন্ত করে বকেয়া পরিশোধ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা।

আবেদনে শিক্ষকরা উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে কলেজ শাখায় খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে পাঠদানসহ প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বেতন না দিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ তিন মাস পর পর এক মাসের বেতন দেয়। মাঝেমধ্যে কখনো , কখনো পাঁচ মাস পর পর দুই মাসের বেতন দেওয়া হয়। প্রতি মাসেই বেতন নিয়ে তালবাহানা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এভাবে জমে থাকা বকেয়া এখন ২১ মাসে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খায়রুল ইসলাম একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের কথা বলে তাদের ১২ জনকে আর দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হবে না বলে জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বেতন দেওয়া সম্ভব নয় এবং পূর্বের ২১ মাসের বকেয়ার দায়ভারও প্রতিষ্ঠান নেবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।

বকেয়া বেতন ও হঠাৎ চাকরিচ্যুতির কারণে শিক্ষকরা এখন চরম বিপাকে। অনেকের পরিবারের দৈনন্দিন খরচ, সন্তানদের লেখাপড়া ও চিকিৎসার ব্যয় এই আয়ের ওপরই নির্ভরশীল ছিল।

১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দেওয়া আবেদনে শিক্ষকরা দুটি বিষয়ে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। এক, ২১ মাসের বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা। দুই, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলছেন, বছরের পর বছর সেবা দেওয়ার পর এভাবে বেতন আটকে রেখে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া অমানবিক কাজ হয়েছে বলে শিক্ষকরা জানান। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষকরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews