বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  বোমা তৈরিতে বিপত্তি, উড়ল ঘরের টিন ! অবশেষে আটক অণ্ডকোষ হারা মিজান চিকিৎসাধীন। সিরাজদিখানে ‘বোরহান-আনোয়ারা প্রবীণ নিবাস’ পরিদর্শনে ইউএনও রুম্পা ঘোষ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আরসা সদস্য গ্রে প্তা র ছয় দফা দাবি আদায়ে লং মার্চ কক্সবাজার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামের পথে সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী লীনা পারভীনের উঠান বৈঠক উন্নয়ন ও জনসেবার প্রতিশ্রুতি সত্যের পক্ষে কলমঃ- সাংবাদিকের বন্ধু সত্য, শত্রুর তালিকা দীর্ঘ

পারভাঙ্গুড়ায় ভিজিডির সরকারি চাল অবৈধভাবে বেচাকেনার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

পারভাঙ্গুড়ায় ভিজিডির সরকারি চাল অবৈধভাবে বেচাকেনার অভিযোগ

মোঃ সুজন আহম্মেদ, ক্রাইম রিপোর্টার:

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাড়ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নে সরকারের ভিজিডি (VGD) কর্মসূচির আওতায় বিতরণকৃত সরকারি চাল কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দুইজন ব্যবসায়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভিজিডি কার্ডধারীদের কাছ থেকে ৩০ কেজি চালের বস্তা ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকায় কিনে নিজেদের দোকানে মজুত করছেন।

অভিযোগে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন পাড়ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ভেড়ামারা পশ্চিমপাড়ার মো. সজিব, পিতা: আব্দুল বারী এবং সজীব হোসেন, পিতা: বাবুল প্রামাণিক। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা নিয়মিত ভিজিডির চাল সংগ্রহ করে মজুত করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সজিব বলেন, “যারা আমাদের কাছে চাল বিক্রি করে, তাদের কাছ থেকেই আমরা কিনি। আমি এর আগেও কয়েকবার এভাবে চাল কিনেছি। এগুলো বৈধ না অবৈধ, তা আমি সঠিকভাবে জানি না। আমরা বেকার মানুষ, সামান্য লাভের আশায় চাল কিনি। এর আগেও অনেকবার কিনেছি, তখন কেউ কোনো কথা বলেনি।”

এ বিষয়ে পাড়ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব বলেন, “ভিজিডি কার্ডধারীরা যদি এ ধরনের কাজে জড়িত থাকেন, তাহলে তাদের কার্ড বাতিল করা যেতে পারে। স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও ইউপি সদস্যরা ভিজিডি কার্যক্রম তদারকি করেন। বিষয়টি তাদের সঙ্গে এবং চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করব। ভিজিডির চাল কেনাবেচার জন্য নয়; এটি সম্পূর্ণ দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “চালগুলো উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তরের পর তারা তা বিক্রি করবেন কি না, সেটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়।”

পাড়ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েতুল্লাহ-এর বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সহায়তার চাল এভাবে কেনাবেচা হলে প্রকৃত দরিদ্র মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews