বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  বোমা তৈরিতে বিপত্তি, উড়ল ঘরের টিন ! অবশেষে আটক অণ্ডকোষ হারা মিজান চিকিৎসাধীন। সিরাজদিখানে ‘বোরহান-আনোয়ারা প্রবীণ নিবাস’ পরিদর্শনে ইউএনও রুম্পা ঘোষ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আরসা সদস্য গ্রে প্তা র ছয় দফা দাবি আদায়ে লং মার্চ কক্সবাজার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামের পথে সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী লীনা পারভীনের উঠান বৈঠক উন্নয়ন ও জনসেবার প্রতিশ্রুতি সত্যের পক্ষে কলমঃ- সাংবাদিকের বন্ধু সত্য, শত্রুর তালিকা দীর্ঘ

রৌমারীতে কলেজপাড়া এলাকায় বাড়িতে দেহব্যবসার অভিযোগ অভিযুক্ত হামিদ পলাতক

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদন 
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের সুখের বাতি গ্রামের সাবেক মেম্বার মাইনুউদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদ (৪৫)-এর বিরুদ্ধে নিজ বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ ও দেহব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি রৌমারী ডিগ্রি কলেজপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কলেজপাড়া এলাকায় আব্দুল হামিদের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন যুবতী নারী এনে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানো হচ্ছিল। বুধবার (২২ মে) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ফুলকারচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফরিদা খাতুনকে ওই বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখা যায়। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বাড়িটির দিকে এগিয়ে যায়। এসময় ওই নারী দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে।

এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনাটি টের পেয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হামিদ বাড়িতে তালা লাগিয়ে সেখান থেকে চলে যান। পরে তাকে আর এলাকায় দেখা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটিতে সন্দেহজনক লোকজনের যাতায়াত ছিল বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান, তিনি এর আগেও দুইবার ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। বুধবার বিকেলেও আব্দুল হামিদ তাকে ফোন করে বলেন, আমার বাড়িতে মেয়ে আসছে, তুমি তাড়াতাড়ি আসো। এরপর তিনি বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে ফরিদা খাতুন বলেন, হামিদ আমাকে ফোন করে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসে। তবে তার স্বামী শহিদুল ইসলাম দাবি করেন, তার স্ত্রী কয়েকদিন ধরে কুটিরচর গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
এদিকে ফরিদা খাতুনের এক চাচি অভিযোগ করে বলেন, ফরিদা আগেও বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়েছে। এসব নিয়ে এলাকায় একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকরা আব্দুল হামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এটা আমার ভুল হয়েছে। এমন ভুল আর হবে না। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews