রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় পন্য  মুকসুদপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশনের লক্ষ্যে রোগী বাছাই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে আইফোনসহ ৬০টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে প্রথমবারের মতো ধামাইল কর্মশালা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ৫ (পাঁচ) বছর যাবৎ ব্রিজের কাজে বেহাল অবস্থায় জনদূর্ভূগ পোহাতে হচ্ছে। ঢাকার ধামরাই বাটার গেট সংলগ্ন বাস,প্রাইভেটকারও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সং ঘ র্ষে ২ জনের মৃ ত্যু সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ১২ সংস্হার শীর্ষ পদে বিএনপির ১২ নেতা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। দেশ প্রতিদিন পত্রিকার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, অর্থ ফেরত ও পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল করতঃ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক যাদুর শাস্তি চায় ভুক্তভোগীরা। উখিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সাংবাদিক এম কাজল খানের ওপর নৃশংস হামলা প্রধান অভিযুক্ত নয়ন পলাতক, গ্রেপ্তারে চলছে অভিযান

স্ত্রীকে মৃত দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

মো: গোলাম কিবরিয়া প্রতিবেদন

রাজশাহী বাগমারার

জীবিত স্ত্রীকে মৃত বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন প্রতারক এমরান আলী নামে এক আনসার ভিডিপি সদস্য। তার বাড়ি বাগমারার আউচপাড়া ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামে। বাবার নাম আক্কাছ আলী। সে বগুড়ার শাজাহানপুরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত। তার প্রতারিত দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা বেগম স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে শ্বশুর বাড়িতে আসলে প্রতারক স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ির হাতে মারধরের শিকার হন। শুক্রবার বাগমারা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আছমা বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আছমা বেগম দাবি করেন, তিনি বগুড়া সদরে টিএমএসএস নামে একটি এনজিওতে চাকরি করেন। তার জন্মস্থান গাইবান্দার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম গ্রামে। পিতা আফাজ উদ্দিন।

চাকরি করার সুবাদে বগুড়া সদরে আনসার ভিডিপি অফিসে কর্মরত আনসার ভিডিপি সদস্য এমরান আলীর সঙ্গে চার বছর আগে তার পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রী মারা গেছে বলে এমরান আলী মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। সেই প্রেমের সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করতে দুই বছর আগে রাজশাহী নোটারী পাবলিকে এফিডেভিট করে তাদের বিয়ে হয়। এছাড়া হাটগাঙ্গোপাড়া কাজী অফিসে গিয়ে তিন লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিবাহ রেজিস্ট্রি করা হয়। এরপর থেকেই তারা বগুড়া সদরে একটি ভাড়া বাসায় সংসার শুরু করেন।

এরপর এমরান আলী তার কাছে থেকে বেতন ও স্বর্ণ বিক্রয়ের সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া তার (আছমা) নামে একটি এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা লোন নিয়ে এমরান আলী ঈদের কয়েক দিন আগে তাকে কোনকিছু না জানিয়ে নিরুদ্ধেশ হয়ে যায়। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়। এরপর স্বামীর খোঁজে গত বৃহস্পতিবার আছমা বেগম বাগমারার তকিপুর গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে এসে জানতে পারেন এমরানের প্রথম স্ত্রী জীবিত আছে এবং তার দুটি সন্তানও রয়েছে। এ সময় স্ত্রী অধিকার নিয়ে ভুক্তভোগী আছমা বেগম ঘরের মধ্যে প্রবেশের চেষ্টার করলে প্রতারক স্বামী, সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ি তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews