বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ গাজীপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  বোমা তৈরিতে বিপত্তি, উড়ল ঘরের টিন ! অবশেষে আটক অণ্ডকোষ হারা মিজান চিকিৎসাধীন। সিরাজদিখানে ‘বোরহান-আনোয়ারা প্রবীণ নিবাস’ পরিদর্শনে ইউএনও রুম্পা ঘোষ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আরসা সদস্য গ্রে প্তা র ছয় দফা দাবি আদায়ে লং মার্চ কক্সবাজার থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামের পথে সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী লীনা পারভীনের উঠান বৈঠক উন্নয়ন ও জনসেবার প্রতিশ্রুতি সত্যের পক্ষে কলমঃ- সাংবাদিকের বন্ধু সত্য, শত্রুর তালিকা দীর্ঘ

চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে অলআউট’ অ্যাকশনে সরকার ৪ হাজার অপরাধীর তালিকা নিয়ে মাঠে পুলিশ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
অপরাধী যে-ই হোক, ছাড় নেই—চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান। ছবি: সংগৃহীত।

নিজস্ব প্রতিবেদক, এশিয়া বার্তা 

সারা দেশে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে কঠোর অবস্থানে নেমেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সারা দেশের ৪ হাজার চিহ্নিত চাঁদাবাজের তালিকা হালনাগাদ করে একটি সমন্বিত অভিযান শুরু করেছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া এই ‘সাঁড়াশি অভিযানে’ গত কয়েক দিনেই শত শত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে গত রবিবার রাতে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে পুলিশ। যদিও মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তবে সরকারের দায়িত্বশীল মহল মনে করছে, এর মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না। রেজাউল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার এক দিনেই ১৭৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৩ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ। ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার হোসেন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “কোনো চাঁদাবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি কেউ যদি অপরাধীকে ছাড়াতে তদবির করতে আসে, তবে তাকেও ওই চক্রের অংশ হিসেবে গণ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

র্যাবের এক গোপন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, সারা দেশে অন্তত ৬৫০ জন চাঁদাবাজদের ‘গডফাদার’ রয়েছে। এদের অধিকাংশেরই রয়েছে প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রতিটি রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন দ্রুত মামলা নিয়ে তদন্ত শেষ করা হয়।

তালিকায় ঢাকার মিরপুর এলাকার চাঁদাবাজির একটি ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সেখানে প্রায় দেড় শতাধিক স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। মিরপুর ১০ থেকে ১৩ নম্বর সেকশন পর্যন্ত ফুটপাত ও সড়ক দখল করে চালানো প্রায় ১,৭০০ দোকান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯০ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হয়। এই চক্রের সাথে জড়িত ৭২ জন সক্রিয় সদস্য এবং ২৫ জন আশ্রয়দাতার নামও তালিকায় স্থান পেয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, চাঁদাবাজি, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে এই যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে এবং অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে যে কোনো মূল্যে দেশকে চাঁদাবাজ মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews