
মোঃ আসাদুজ্জামান ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
কানাডার শপিংমলে উচ্চ বেতনে চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে ঢাকার ধামরাইয়ের মো. আসাদুজ্জামান সহ ৫ জনের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কথিত প্রবাসীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. কামরুল হাসান কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মধ্যপাড়া এলাকার ইসমাইল আলীর ছেলে। দীর্ঘ দিন কানাডায় থাকার সুবাদে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে তিনি এই বিশাল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত কামরুল হাসান নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত কানাডা প্রবাসী এবং সেখানে তার নিজস্ব শপিংমল আছে বলে দাবি করেন। সেই শপিংমলে লোক নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিজনের কাছে ১০ লাখ টাকা করে দাবি করেন তিনি। তার কথায় বিশ্বাস করে আসাদুজ্জামান ও তার পরিচিত আরও ৪ জন (মিজানুর রহমান, আব্দুর রাহিম, লাভলু মিয়া ও তানবীর) কানাডা যেতে রাজি হন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে বিভিন্ন দফায় ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের ধামরাই কালামপুর শাখা এবং ঢুলিভিটা শাখার মাধ্যমে মোট ২০ লাখ ৬ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এর বাইরে অভিযুক্ত কামরুল হাসান নগদ আরও ৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। সব মিলিয়ে মোট ২৫ লাখ টাকা বুঝে নেন তিনি।
টাকা পাওয়ার পর থেকেই কামরুল হাসান ভিসা প্রদানের বিষয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি আসাদুজ্জামানের বাড়িতে এক আলোচনায় কামরুল স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি কোনো টাকা ফেরত দেবেন না এবং তাদের কানাডাও নেবেন না। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
বাদী আসাদুজ্জামান বলেন, “আমরা সহজ-সরল মানুষ, তার কথায় বিশ্বাস করে ধার-দেনা করে টাকা দিয়েছিলাম। এখন আমরা নিঃস্ব। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। বর্তমানে অভিযুক্ত কামরুল হাসান আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।