
মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে ফারজানা আক্তারকে দেখতে চায় ধামরাই উপজেলা বাসি
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি ঢাকা।
আসন্ন ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঢাকা জেলা ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন ৫ নং বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড এর বর্তমান সফল সংরক্ষিত সদস্য ফারজানা আক্তার।
আসন্ন ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্বন্ধে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা অনেকেই জানান যে, ফারজানা আপা মানুষ হিসেবে অনেক ভালো মনের মানুষ, আমাদের দেখা মতে তাকে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে বিপদে আপদে সর্ব সময় পাশে পাওয়া যায়।
নারী ভোটারদের সাথে ফারজানা আক্তার এর সমন্ধে জানতে চাইলে তারা জানান যে, ফারজানা মেম্বার সকল সময় হাসি মুখে কথা বলে, আমরা অনেক সময় রাগ করে কথা বললেও সে কখনো আমাদের সঙ্গে রাগ করেনা বরং আমাদেরকে বুকের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে শান্তনা দেয় আসলে উনি সর্বদা হাস্যজ্জল ও খুব ভালো মনের মানুষ।
বাইশাকান্দা ইউনিয়ন ২৮ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। ইউনিয়নের সকল গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ফারজানা মেম্বারের শাশুড়ি মরহুমা মমতাজ বেগম বাইশাকান্দা ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সফল সদস্য ছিলেন এবং ২০২১ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য হিসেবে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করছেন। তার শশুর আরফান আলী মাস্টার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল( বি এন পি ) র বাইশাকান্দা ইউনিয়নের প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সফল প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বাইশাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপি। তার শাশুড়ি ও আজীবন বিএনপির রাজনীতি সাথে জড়িত ছিলেন। তার স্বামী লিটন আহমেদ চন্দন বিএনপি রাজনীতি করেছেন। তাদের পরিবার রাজনৈতিক পরিবার। বিগত দিনে তাদের পরিবারের সকলেই বাইশাকান্দা ইউনিয়নের জনগণের সুখে – দুঃখে সব সময় পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং আশা রাখি ভবিষ্যতেও থাকবে। তাদের পরিবার কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেননি এজন্য তাদেরকে অনেক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে তবুও সত্য পথ থেকে এক চুলও সরেন নি।
ফারজানা আক্তার উন্নয়নের জন্য নিবেদিত, স্রোতের বিপরীতে গিয়েও উন্নয়নের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। আগামী নির্বাচনে তাকে ধামরাই উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করতে পারলে ধামরাইবাসীর সার্বিক উন্নয়ন ও সকল সেবা সঠিক ভাবে জনগণের দ্বারগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে আধুনিক ধামরাই রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
ধানতারা বাজারে একটা চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা বলেন, এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করার সম্ভাবনা আছে। এদের মধ্যে বর্তমান সফল মেম্বার ফারজানা আক্তার স্থানীয় সরকার উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাঈস- চেয়ারম্যান পদে বাইশাকান্দা ইউনিয়ন হতে নির্বাচন করার ঘোষণা করেছেন। এর পূর্বে ২০০৩ সালে উনার শশুর আরফান আলী মাস্টার বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে চাকা মার্কা প্রতীকে নির্বাচন করেছেন। জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম ও বিএনপি রাজনীতি করার কারণে আরফান আলী মাস্টারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে অনেক হয়রানির শিকার করা হয়েছে। পরিশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চাকরি ছাড়তে বাধ্য করেছে।
ধামরাই উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ জনগণের সাথে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ফারজানা আক্তারের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা সম্বন্ধে জানতে চাইলে তারা বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমরা দলমত নির্বিশেষে ফারজানা আপাকেই আমাদের মূল্যবান ভোট দেব কেননা তিনি একজন পরীক্ষিত সফল জনপ্রতিনিধি। সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল, সৎ, সু-শিক্ষিত, ন্যায়, ইনসাফ, জনদরদী ও গরিবের বন্ধু এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন তারুণ্যের প্রতীক ন্যায়- ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্নদ্রষ্টা। নির্বাচনের পূর্বে প্রার্থীরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেয় কিন্তু নির্বাচনের পরের বাস্তব চিত্র ভিন্ন হয়ে যায়। তিনি এবং তার পরিবার সর্বদা উন্নয়ন এর জন্য নিবেদিত। দীর্ঘদিন যাবত ধামরাইয়ের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি তাই এই অবহেলিত ধামরাইয়ের উন্নয়নের জন্য আমরা দল মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণ একজোট হয়ে আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ফারজানা আপাকে নির্বাচিত করব।
বাইশাকান্দা ইউনিয়নের অন্যান্য মেম্বারদের সঙ্গে ফারজানা আক্তারের নির্বাচন এর প্রসঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, ফারজানা আক্তার আমাদের সকলের প্রিয়। তার নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সে সব সময় লড়ছে, কোন অপশক্তির নিকট মাথা নত করে না এবং অন্যায়কে ” না” বলতে এক মুহূর্তও ভাবে না। সৎ, ন্যায়- নীতি ও ইনসাফের ভিত্তিতে চলার চেষ্টা করে এমনকি তার জানা শত্রুর জন্যও ইনসাফ বজায় রাখে। দুঃখী অসহায় মানুষের খোঁজ খবর রাখে এবং সাধ্যমত তাদের সেবা করার চেষ্টা করে। সে বাংলাদেশের সমগ্র মেম্বারদের দাবি আদায়ের জন্য নিরলস ভাবে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। সে বাংলাদেশ মেম্বার কল্যাণ এসোসিয়েশন ঢাকা জেলার সদস্য সচিব এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ২ নং সহ সভাপতি পদে আছে। ফারজানা আক্তার শুধু আমাদের বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের একজন মেম্বার নন, সমগ্র বাংলাদেশের প্রায় ৫৫ হাজার মেম্বারদের তিনি একজন সফল সংগঠক ও আমাদের বাইশাকান্দা ইউনিয়নের গর্ব।
আগামী নির্বাচনে ফারজানা আক্তার উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে আমাদের সকল মেম্বারদের পক্ষ থেকে তার জন্য সর্বদা সার্বিক সহযোগিতা ও শুভকামনা থাকবে। আমরা তার জন্য অন্তরের অন্তরস্থল থেকে দোয়া করি আগামীতে সে যেন সততার সহিত রাজনীতিতে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও দলীয় রাজনীতি সম্পর্কে ফারজানা আক্তার কে জিজ্ঞেস করলে তিনি মৃদু হেসে বলেন, আমি সকলের ভালোবাসা দোয়া ও সহযোগিতা নিয়ে আমৃত্য জনগণের সেবা করতে চাই, শাসক নয় গরিব – দুঃখী ও মেহনতি মানুষের সেবক হয়ে পাশে থাকতে চাই। আমার শাশুড়ি, শ্বশুর ও স্বামী আমার রাজনৈতিক প্রেরণা ও আদর্শ। আমার শাশুড়ি আজ এই পৃথিবীতে নেই, আমার শাশুড়িকে বড্ড মিস করি। আমাকে সর্বদা তারা পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাজনৈতিক মনোবল দৃঢ় করেন। আমি কখনও দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না বর্তমানেও নেই এবং ভবিষ্যতেও দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কোন আগ্রহ নেই। জনগণকে সেবা করতে দলীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত হতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আমি সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের জন্য সংগ্রামী রাজনীতি করি এবং আমি আমার এই রাজনীতিকে ইবাদতের শামিল বলে মনে করি। অতি দুঃখের সহিত বাস্তবতা দেখে বলতে বাধ্য হচ্ছি বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রের সাথে বাস্তবে কোন মিল নেই। যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতার চেয়ারে বসে কিছুদিন পরে সেটাকে তার নিজের সম্পদ মনে করতে শুরু করে এবং সেটাকে দীর্ঘস্থায়ী টিকিয়ে রাখতে ক্ষমতার অপব্যবহারও করে। এটা কি ঠিক?
অতিরিক্ত টাকা খরচ করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কখনো জনগণের সেবক হয় না।” টাকা নয় ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমেই বিজয়ী হতে চাই “। জনগণের হৃদয়ে ঠাঁই নিতে চাই। আমি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি আগামী নির্বাচনে আমার প্রাণপ্রিয় ধামরাইবাসী এবার তারা তাদের পবিত্র আমানত অতি মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকেই বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে।