রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নকলায় অপরাধ দমনে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের মতবিনিময় মিরসরাইয়ে ১৪ নং হাইতকান্দিতে নুরুল আমিন এমপি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ের পদ্মায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান ৯ জেলে আটক ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন শান্তিগঞ্জের তৈয়বুর রহমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসলে দেখি চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়াটা এখন একটা পুতুল খেলার মতো হয়ে গেছে চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন ? এগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করার মানসিকতা থাকলে আসেন, নয় তো দুরে থাকুন:—— সাভার মডেল থানাধীন পোড়াবাড়ি, বেদেপাড়া এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। কালিয়াকৈরে কাজলি সিএনজি স্টেশনে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ, তদন্তের দাবি আজ বিজয়ার দশমী: হোসেনপুরে শ্রী শ্রী কুলেশ্বরী বাড়ির দেবালয়ের ভক্তরা,অশ্রুসিক্ত বিদায় জানাবেন মাকে। কালিয়াকৈরে তুরাগ নদীতে প্রতিমা বিসর্জন, হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়

একজন সদস্যকে বহিষ্কার ও পরে পুনর্বহাল কি শেষ পর্যন্ত বিএনপির জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়াল

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

মেহেদী হাসান খোকা,নির্বাহী সম্পাদক।

বরিশাল সিটি নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে,বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ততই উত্তেজনা বাড়ছে।মেয়র পদপ্রার্থী হওয়ার কাঙ্ক্ষিত দৌড়ে কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় দলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন।তার ছত্রছায়ায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাঁর শিবিরে ভিড় করছেন।১ নম্বর করাপুর-রায়পাশা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মিন্টুর সাথে গোপন বৈঠক করার সময় অ্যাডভোকেট শিরিনকে একটি গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়তে দেখা গেছে।কে এই হাবিবুর রহমান মিন্টু? দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে ১ নম্বর করাপুর-রায়পাশা ইউনিয়নে মিন্টু ছিলেন বিএনপির জন্য এক আতঙ্কের নাম;ওই এলাকায় এমন একটি বিএনপি পরিবারও খুঁজে পাওয়া কঠিন যারা তাঁর হাতে নিপীড়ন বা হয়রানির শিকার হয়নি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো,বর্তমান প্রশাসক শিরিনের দেওয়া অর্থ ব্যবহার করে মিন্টু ওই আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনও উদযাপন করেছেন।যেখানে বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা দুবেলা দুমুঠো অন্ন জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে মিন্টু ও তাঁর সহযোগীরা বিএনপিরই বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পৃষ্ঠপোষকতায় দাপটের সাথে চলাফেরা করছেন। ফলে,প্রশাসক হিসেবে অ্যাডভোকেট শিরিনের নিয়োগে হতাশ হয়ে অনেক প্রবীণ বিএনপি নেতা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন এবং নীরবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।বিএনপি যদি ভুলবশত অ্যাডভোকেট শিরিনকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়,তবে নির্বাচনের সময় এই প্রবীণ নেতারা তাঁকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। তাই জনাব তারেক রহমানের উচিত নিশ্চিত করা যেন এমন কোনো বিতর্কিত নেতা বা নের্ত্রী সেই কাঙ্ক্ষিত পদটি না পান।এটাই এখন বরিশাল বিএনপির কর্মীদের চরম সত্য একটা দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews