মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঢাকা জেলা
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে গণমাধ্যম এবং সামাজিক অঙ্গনে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। দেশসেরা জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ’ এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা’র ঢাকা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। একই সাথে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবাধিকার সংস্থা "আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন" এর ঢাকা, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলা সমন্বয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদে তাকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
এই দ্বৈত ও গৌরবময় দায়িত্ব পাওয়ার পর এক আবেগঘন বিবৃতিতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতি গভীর ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বিবৃতিতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, "আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত যে, ‘দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ’ এবং ‘জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা’র মতো শীর্ষস্থানীয় ও জনপ্রিয় দুটি গণমাধ্যম আমাকে ঢাকা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। এই মহতী সিদ্ধান্তের জন্য আমি দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ ও জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তার মাননীয় প্রধান সম্পাদক, সম্পাদক ও প্রকাশক, সহ-সম্পাদক, বার্তা সম্পাদকসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ ও সহকর্মীদের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসার লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।
তিনি আরও যোগ করেন, নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে এই দুটি পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক, সহ-সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদক মহোদয় যেভাবে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে আমাকে প্রতিনিয়ত দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন, তা আমার কাজের গতিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সহযোগিতার ঋণ আমি কোনোদিন ভুলব না। আমি আবারও তাদের প্রতি আমার বিনম্র কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।"
সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবাধিকার আন্দোলনে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত থাকা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা "আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন" এর একটি বিশাল জোনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল—এই তিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা নিয়ে গঠিত ৩১ সদস্য বিশিষ্ট শক্তিশালী সমন্বয় কমিটির ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদের গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে তাঁর ওপর।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমাকে এত বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত করায় এবং ৩১ সদস্যের এই শক্তিশালী সমন্বয় কমিটি গঠন করে দেওয়ায় আমি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মাননীয় চেয়ারম্যান, শ্রদ্ধেয় নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা জেলার সম্মানিত কেন্দ্রীয় পরিচালক জনাব মোঃ উজ্জ্বল খান সাহেবসহ সকল উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের প্রতি অন্তরস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের এই আস্থা ও বিশ্বাস আমার জীবনের এক পরম পাওয়া।
নিজের ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, "আমি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে আজ থেকে আমার জেলার সর্বস্তরের মানুষের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দাঁড়াতে চাই। সমাজ থেকে অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতি দূর করে সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে জনমানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করাই আমার মূল প্রত্যয় ও অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, "আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনে আমি যেন সর্বদা ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে অবিচল থাকতে পারি, সেই প্রতিজ্ঞা করছি। সমাজের অসহায়, বঞ্চিত এবং নির্যাতিত মানুষের আইনি অধিকার নিশ্চিতে ‘আসক’ এর ব্যানারে এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে ‘প্রভীতি বাংলাদেশ’ ও ‘এশিয়া বার্তা’র হয়ে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা বিলিয়ে দেব।
বিবৃতি শেষে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী, বন্ধুমহল এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, "আমার সকল বন্ধুদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক ছালাম। আমি যেন আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারি এবং সবার মাঝে একজন অত্যন্ত ‘জনবান্ধব’ মানুষ হিসেবে সুনাম ও সততার সাথে আজীবন কাজ করে যেতে পারি—বন্ধুদের প্রতি আমার এই একটাই প্রত্যাশা। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারি।
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের এই জোড়া সাফল্যে ঢাকা, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলার সাংবাদিক সমাজ, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সুধীসমাজ তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সকলেই আশা প্রকাশ করেছেন যে, তাঁর হাত ধরে এই তিন জেলায় মানবাধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।